অনেকদিন ধরেই অল্পবিস্তর লিখি । মোটামুটি সব ধরণের লেখাই লিখি, যা পড়ে ভালোলাগার আবেশে মন ভরবে । বছর চারেক হবে লেখালিখির শুরু, এখনও কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি । সেই অর্থে বলতে গেলে, “মনের কোণে নিজের কলম” ই-পত্রিকা আমার সেই ইচ্ছাপূরণ ঘটিয়েছ,
অনেকদিন হল এই পরিবারের
আমি একজন সদস্য। ভালো লাগে এখানে লেখা, তার যথার্থ সমাদর পায়। এখানে আমি আমার মনের
কথা ও সবরকম অভিজ্ঞতা ও সবরকম অনুভূতি মনের খুশীতে প্রকাশ করতে পারি নিজের লেখা ও সৃষ্টির
আনন্দে । আমার ভালোবাসা……মনের কোণে নিজের কলম ।
::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
শঙ্খের কান্না
আমার সামনে সুনীল
সাগরের হাত ছানি
ঢেউ গুলো বারবার পায়ে
এসে টানছে
বহু দুরে বিন্দু বিন্দু
মাছধরা ডিঙী গুলো
দেখা দিয়ে মিলিয়ে
যাচ্ছে,এক ঝাঁক বক
তরতর করে উড়ে গেল
কতো তাড়া যেন !
সূর্য তার সমস্ত রঙ
ঢেলে অন্য দেশে
যাবার জন্য তৈরী,
আমায় শঙ্খ ডাকছে
, সেই কখন থেকে
বালি আর জল মাড়িয়ে
আমি এগিয়ে চলি
বহু দূরে দেখা যাচ্ছে
মেলো পাড়া আর আঁশটে গন্ধ
বাতাসে ভেসে এলো
,শঙ্খ ডাকছে আমায় !
মেলোদের ঘরের পাশে
শঙ্খ কাঁদছে
সঙ্গে ঝিনুক,আমি তুলে
নিলাম শঙ্খকে
দিলাম তার শুভ্ররূপ,তখন
সে মৃত,
রূপ তার কেড়ে নিল
প্রান , প্রান হীন শঙ্খ !
শুভ্রতা লজ্জা পায়
তার রূপ দেখে
এখন সে অন্যর , কেউ
বাতাস ভরে দিলে
শ্বাস ছাড়ে সুর তোলে
অন্যের সুখে
আমি তোকে সুখ দিতে
চেয়ে ছিলাম শঙ্খ
তুই প্রান দিয়ে আমায়
করলি সুখী
তাই এখনও শঙ্খের হৃদয়ে
সমূদ্রের ডাক !!!!
শুধু আমার জন্য
আমায় তুমি কি দিতে
চাও ঐ আকাশের নীল
সেতো নিজেই নীলিমা,নাকি
বাতাস ?
সেও ছুটছে দিক বিদিক
জ্ঞান হারিয়ে
তুমি কি ভোরের রোদ
দেবে ভেবেছো ?
সোনার রোদের জরির
নকশা শাড়ী,
তবে কিন্তু মিলিয়ে
দিও টিপ এক পাতা
আর রেশমী চুড়ির গোছা,ও....থামো
থামো
এক গোছা মল দিও পায়......সব
শব্দ
যখন মিলবে তখন তুমি
আমায় দেখবে,
জোছনা যেদিন আসবেনা
তুমি একটু
আলো দিও পথ চেনার,নয়তো
এক মুঠো
জোনাকি,আরও চাই কত
কি এক গোছা
তারা,না যদি পাও তো
দিও কিছু বকুল
ভুর ভুরে গন্ধে মাতাল
হব তোমার বিরহে
নিশী বিতাবে তোমাকে
ভেবে যতনে সেজে
মায়াবী রাত হবে নাতো
অসাড়,দেখো
আছে আরো কিছু দেওয়ার
যা তুমি চাইবে !!
নিবেদন নীলাম্বরী
নীল শিরা লাল কালি
,শুরু হল লেখা
নীলাম্বরী......নীল
আকাশ রঙা শাড়ি
রামধনূ রঙ পাড় চমৎকার
কপালে ভোর সূর্যের
কমলা টিপ
সুন্দরী সেজেছে যতনে
প্রণয়ীর লাগি
শান্ত কোন জলাধারে
নিরীক্ষন করছে
ঘুরে ফিরে কেমন সুন্দরী
, যাবে অভিসারে
হয়েছে কি সাজ সঠিক,
ও...বাকি আছে
কেশ লাগি কিছু মেঘমালা
রেখেছিনু
যতনে, তাই জড়িয়ে
নিলাম ফুলের বসনে!
সাঙ্গ হলো সাজ ,কিন্তু
কে কোথায় !
কোথা সে, যার লাগি
অঙ্গরাগ ,অসংকোচ
তবে বৃথা এই অভিসার,দিনমনি
ধিরে ধিরে
ঠলিছে দিগন্তে , ঈশান
কোনে কালো মেঘ
উদ্দাম নৃত্য করতে
করতে আগমন বায়ুর
দন্ত কিরমির বজ্র
সহ বৃষ্টি.....তুমুল বৃষ্টি
ধুয়ে দিল অঙ্গসজ্জা
উপ্ত দেহ হলো শীতল
মনের কোনে যে টুকু
ছিল তাপ হলো শোষণ
ওরে বৃষ্টি তুই আমার
মনের ছিলি প্রিয়া,
উদাসী মনে ঝিরঝির
ঝড়া তোর শব্দ
আর ভেজা , রাতে তোর
আগমন তিরতির
করে কাঁপা লন্ঠন নেভা,
আর ভয় পেয়ে
কাউকে খোঁজা.......সে
তো কতো মধুর !
আজ অবেলায় কেন করলি
অমন এই ঈপ্সিতা !!!

irshe hoi amar kache erokom kolom nei keno
ReplyDeleteভীষণ ভালো লাগলো তাপসী...শুভেচ্ছা রইলো
ReplyDeleteধন্যবাদ শ্রী.....
Deleteধন্যবাদ পর্না.....
ReplyDeleteতোমার লেখা নিয়ে কিছু বলার সাহস নেই দি । সহজ ভাষায় অনেক কিছু বুঝিয়ে দাও । আসাধারন লেখনী
ReplyDeleteধন্যবাদ দিয়া......তোমাদের প্রেরণাই আমার পাথেও
Deleteভীষণ সুন্দর লেখা, ভাবনার নিজস্বতা মন মাতালো। স্বচ্ছন্দ শব্দের বন্ধনী কবিতাকে বুনেছে নিপুন হাতে। শুভেচ্ছা নেবেন কবি। আগামীতে আরও পড়ার ইচ্ছে রইল।
ReplyDeleteধন্যবাদ স্বরাজ......
Deleteভীষন সুন্দর তোমার লেখা ... বারবার পড়তে ইচ্ছা হয় ... অনেক শুভেচ্ছা রইলো :)
ReplyDeleteভালবাসা নিও........
Deleteঅনবদ্য ......তাপসী ...তোমার লেখা পড়ে মনে হল আমি যদি এমন লিখতে পারতাম !!! অপূর্ব ।
ReplyDeleteধন্যবাদ সুব্রত দাসগুপ্ত......
ReplyDeletetapasidi, khub valo laglo
ReplyDeletekabita porle agochore durbolata jagay. kemon jeno vabe acchonno kore chinta-chetona ke. Khub Khub Valo laglo didi.
ReplyDelete